ঢাকা বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

শিবির নেতাকে গুলি : আনিসুরসহ ৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

শিবির নেতাকে গুলি : আনিসুরসহ ৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

যশোরের চৌগাছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানসহ আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে আজ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

এদিন প্রথমে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন। এরপর প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। গত ১ জুন এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন- চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক। তাদের আজ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

পলাতকরা হলেন- তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল।

এর আগে, ২০ এপ্রিল আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন গ্রেপ্তার আসামিরা।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ। আদালতে হাজির না করে তাদের টানা দুই রাত নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে অধীনস্থ পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে দুজনের পায়ে গুলি করানো হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবিরের এই দুই নেতার ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া ভুক্তভোগীদের পায়ে বালু ঢোকানোর কারণে পচন ধরে। শেষ পর্যন্ত তাদের পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

Link copied!