গ্রীষ্মের গরম শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যেও থেমে নেই দাওয়াত পর্ব, সামনে আরো আসছে পহেলা বৈশাখ। কিন্তু এই গরমে কার ইচ্ছে করে ঘন্টা ধরে মেকাপ করতে? আজকাল সবাই খুব অল্প সময়ে একটি ফ্রেশ লুক পেতে চায়, তাই আজকে রয়েছে সিম্পল এন্ড ইজি মেকআপ দিয়েই নো মেকআপ লুক। এই মেকআপ লুকে নেই কোন ফাউন্ডেশন বা হেবি বেইজ। কিন্তু হালকা এবং সিম্পল সাজে আপনি হয়ে উঠতে পারেন অনুষ্ঠানের মধ্যমণি।
‘নো মেকআপ’ লুকের জন্য ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল হওয়া প্রয়োজন। তাই নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিতে হবে। ত্বকের যত্ন নেওয়ার শুরুটা হয় ক্লিনজ়িং দিয়ে। তার পর স্প্রে করে নিতে হয় টোনার। সবশেষে মেখে নিতে হয় ময়েশ্চারাইজ়ার। সপ্তাহে এক বার এক্সফোলিয়েট করতে পারলেও ত্বকের জেল্লা ফিরে আসে। প্রথমেই মুখমণ্ডল এবং গলার ত্বক খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর প্রাইমার লাগাতে হবে।
এ বার আসা যাক মেকআপ পর্বে। ‘নো মেকআপ’ লুকের জন্য আলাদা করে ফাউন্ডেশন মাখার প্রয়োজন নেই। টিন্টেড ময়েশ্চারাইজ়ার বা ‘বি বি ক্রিম’ মাখলেই হয়ে যাবে। তবে মুখের কোথাও যদি অবাঞ্ছিত দাগছোপ থাকে, সে ক্ষেত্রে কনসিলার দিয়ে তা ঢেকে ফেলা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে, কালার কারেক্টর ব্যবহার করে কনসিলার লাগাতে হবে। তারপর তা সেট করার জন্য হালকা ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার ব্যবহার করতে হবে।
ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কাছাকাছি রঙের ব্লাশঅন বেছে নিন। কড়া গোলাপি কিংবা লাল রং থেকে দূরে রাখুন গালকে। ক্রিমভিত্তিক ব্লাশঅন নিলে ভালো। শিমারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। পাউডারভিত্তিক শিমারে অনেক সময় দানা দানা ভাব চলে আসে।
সকালে কোনও অনুষ্ঠান থাকলে লিপ টিন্ট বা টিন্টেড লিপ বাম মাখতে পারেন। আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি ঠোঁটে গোপালি আভাও থাকবে। তবে ঠোঁটে হতে হবে হালকা রং।
চোখের সাজের জন্যও ক্রিম হাইলাইটার ব্যবহার করুন। ভুরুও অনেক বেশি গাঢ় করে আঁকা যাবে না। পেন্সিল দিয়ে ভ্রু আঁকার অভ্যাস না থাকলে আইব্রো পাউডারও ব্যবহার করতে পারেন। চোখে হালকা নিউড বা পিচ টোনের আইশ্যাডো লাগান। একটু লেয়ার করে মাসকারা ব্যবহার করুন, চোখ উজ্জ্বল দেখাবে।সাধারণত দিনের জন্য আদর্শ হলেও রাতেও মানিয়ে যাবে এ ধারার সাজ। তখন শুধু চোখের সাজটা একটু গাঢ় করে নিলেই হবে।
পোশাকের রং যা–ই হোক না কেন, সাজ যদি হয় হালকা, পুরো লুকেই আসবে স্নিগ্ধতা।