ঢাকা রবিবার, ০১ মার্চ, ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২
amaderkhobor24.com

মধ্যরাত থেকে জাটকা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম

মধ্যরাত থেকে জাটকা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ

ইলিশ রক্ষায় ১ মার্চ থেকে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে দুই মাস (মার্চ ও এপ্রিল) মাছ ধরা বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় জাটকা ইলিশ মাছ ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুদ সর্ম্পূণ নিষিদ্ধ থাকবে। আইন অমান্য করে কেউ মাছ আহরণ করলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে দুই বছর কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

জানা গেছে, ৬ জেলার ৫টি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় বরিশাল, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালী জেলার ইলিশ অভয়াশ্রম সংশ্লিষ্ট নদ-নদীতে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। ১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস পদ্ম- মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় জালসহ যেকোনো সরঞ্জাম দিয়ে জাটকা এবং সকল ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এরই অংশ হিসেবে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দিনগত রাত ১২টার পর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য বিভাগ বলছে, জাটকা সংরক্ষণের জন্য জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার নদী অভয়াশ্রম এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ৪৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে নদীতে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকবে। আর বেকার হয়ে পড়া এসব জেলের মধ্যে ৩৯ হাজার ৪০০ জেলেকে দেওয়া হচ্ছে বিজিএফের চাল। তারা ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত দুই ধাপে ৪ মাস ৪০ কেজি করে ১৬০ কেজি চাল পাবে।

জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে তারা জাল ও নৌকা ডাঙায় উঠিয়ে রেখেছেন। কিন্তু তাদের যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয় এতে তাদের সংসার চলে না। তাদের দাবি প্রণোদনা আরও বৃদ্ধি করার।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, জাটকা সংরক্ষণে পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স। আইন অমান্য করে জাটকা ধরা হলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

জেলা প্রশাসক ও জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, ইলিশের স্থায়িত্বশীল উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষে প্রতিবছর বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে জাটকা সংরক্ষণ অন্যতম। জাতীয় স্বার্থে অংশীজনদের আরও তৎপর হতে হবে। জেলেদের জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে।

Link copied!