প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১১:২০ এএম
ঈদের ছুটিতে দেশের স্থলবন্দরগুলো টানা ৭ থেকে ১১ দিন পর্যন্ত বন্ধ থাকছে। এতে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে পড়ছে বিরূপ প্রভাব। বিশেষ করে প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে স্থলবন্দরগুলো বেশি দিন বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে বিভিন্ন জিনিসপত্রের দামে প্রভাব পড়তে যায়। এবারও তেমনটি আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে বন্দরের দুই পাশে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। বিশেষ করে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল-পেট্রাপোলে তীব্র ট্রাকজটের সৃষ্টি হয়, যা ছুটির পর বন্দর সচল হলেও স্বাভাবিক হতে অনেক সময় নেয়। এ ছাড়া কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকায় অনেক উৎপাদনমুখী শিল্প, বিশেষ করে পোশাক খাতের উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ভারত থেকে আসা পেঁয়াজ, আদা, রসুন ও ফলের মতো পচনশীল পণ্য আমদানি বন্ধ থাকলে স্থানীয় বাজারে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। আমদানি-রফতানি স্থগিত থাকায় সরকারের দৈনিক রাজস্ব আহরণ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে, যা সামগ্রিক লক্ষ্যমাত্রায় প্রভাব ফেলে।
তবে পুরোপুরি স্থবিরতা কাটাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অনেক ক্ষেত্রে ছুটির মধ্যেও কাস্টমস হাউসগুলো সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়। বন্দরে আগে থেকে আসা পণ্য খালাস বা লোড-আনলোডের কাজ অনেক সময় সীমিত পরিসরে চালু থাকে। ছুটিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা এলসি খোলা বা অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হন। যাকে অনেক সময় হলিডে ট্র্যাপ বলা হয়।
বেনাপোল বন্দরে ৭ দিনের বন্ধে বাণিজ্যে পড়বে বিরূপ প্রভাব
টানা সাত দিন দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ আছে। এর ফলে স্থবির আছে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম।
তবে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সীমিত আকারে কাস্টমস হাউসগুলোর আমদানি-রপ্তনি কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব রোর্ড (এনবিআর)। শুধু ঈদের দিনে শুল্ক স্টেশনগুলো বন্ধ থাকবে। তবে বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির কর্মকর্তারা বলেছেন, আমাদের কর্মচারীরা কেউ ঈদের ছুটিতে কাজ করতে আগ্রহী নন। সেক্ষেত্রে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ছুটির মধ্যে কাজ কতটুকু হবে, সেটাই ভাববার বিষয়।
অপরদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্ধের দিন আমাদেরও সীমিত আকারে কার্যক্রম খোলা রাখা আছে। কেউ পণ্য খালাস নিতে চাইলে খালাস দেওয়া হবে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক আছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ৯০ ভাগই আসে এই বন্দর দিয়ে। সাত দিনের এলসিতে পণ্য আনা যায়। বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৮১ কিলোমিটার। আড়াই ঘণ্টায় চলে আসে পেট্রাপোল বন্দরে। সে কারণে আমদানিকারকরা পণ্য আমদানির জন্য বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে থাকেন।

স্থবির আছে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে বাণিজ্য কার্যক্রম
আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, লম্বা ছুটিতে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে পড়ছে বিরূপ প্রভাব। এমনিতেই বন্দরে পণ্যজট লেগে আছে। লম্বা ছুটির কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাঁচামালের সংকট দেখা দিতে পারে। সীমান্তের দুই পাশের পণ্যবাহী ট্রাক জট আরও বাড়বে। যা দেশের বাজারেও প্রভাব ফেলবে।
বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি মহসিন মিলন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঈদের তিন দিন আগে পরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ রাখায় বন্দর থেকে কোনও পণ্য খালাস হবে না। এই সময়ে সাধারণত কোনও পণ্যও খালাস নেন না আমদানিকারকরা। এজন্য ব্যবসায় কিছুটা প্রভাব তো পড়েই। এটি সবাই মেনে নিয়েছেন। মঙ্গলবার থেকে পুনরায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সচল হবে।’
টানা ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশের বন্দরে ট্রাক জট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও ট্রাক জট আছে। বন্দরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় ট্রাক টার্মিনাল, পেট্রাপোল বন্দর টার্মিনালে কয়েকশ পণ্যবোঝাই গাড়ি অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়। হয়তো ছুটি শেষে সেসব পণ্যবাহী গাড়ি পেট্রাপোল থেকে বেনাপোল বন্দরে ঢুকবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শাখাওয়াত হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক থাকবে পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত। এ সময় একটু বেশি ভিড় হয়ে থাকে যাত্রীদের। সে কারণে ইমিগ্রেশনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।’
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছুটির মধ্যে বন্দর এলাকায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ও দুর্ঘটনা না ঘটে, সেজন্য বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’
বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে সীমিত আকারে অন্যান্য কাস্টমস হাউসগুলোর মতো বেনাপোলেও কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা মোতাবেক এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুধু ঈদের দিনে শুল্ক স্টেশনগুলো বন্ধ ছিল।’
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, ‘১৭ মার্চ থেকে ঈদের ছুটি হয়েছে। এই সময়ে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। আগামী ২৪ মার্চ থকে বন্দরের কর্মতৎপরতা শুরু হবে।’
হিলিতে টানা ১০ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ
ঈদে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ১০ দিন ভারত-বাংলাদেশের মাঝে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক। পাশাপাশি সরকারি ছুটি ব্যতীত বন্দরের ভেতরের কার্যক্রম চালু আছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে দীর্ঘ ছুটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ার আশঙ্কা এবং ব্যবসায়ীদের লোকসানের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ১০ দিন ভারত-বাংলাদেশের মাঝে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম বলেন, ‘ঈদে ১৮ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত হিলি শুল্ক স্টেশনে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সব কার্যক্রম বন্ধ। দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানিও বন্ধ আছে। ২৮ মার্চ থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হবে। লম্বা ছুটি থাকলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে কিছুটা প্রভাব পড়ে। তবে পরবর্তীতে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা থাকে সবার।’
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার চালু আছে। ঈদের দিনেও সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এই পথ দিয়ে দুদেশের পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার কার্যক্রম চালু ছিল।’
একই অবস্থা সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরেও
ঈদুল ফিতর, মহান স্বাধীনতা দিবস এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ১০ দিনের ছুটিতে আছে ভোমরা স্থলবন্দর। বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট যথারীতি খোলা আছে। এই সময়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বাণিজ্যে কিছুটা প্রভাব পড়ছে। আগামী ২৮ মার্চ থেকে পুনরায় স্বাভাবিক হবে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, ‘সবার সম্মতিক্রমে ১০ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাধারণত এই সময়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে কিছুটা প্রভাব পড়লেও সবাই ঈদের জন্য বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। সারা বছরে তো এই সময়ে সবাই আনন্দ করার সুযোগ পায়। এই সময়ে মানুষজন গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় বাজারে তেমন প্রভাব পড়বে না।’

একই অবস্থা সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরেও
ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসআই) রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের জন্য কোনও বাধা নেই। উৎসবের দিনগুলোতেও ইমিগ্রেশন সেবা চালু থাকবে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা নির্বিঘ্নে সীমান্ত পারাপার করতে পারবেন।’
১০ দিন বন্ধ সোনামসজিদ স্থলবন্দরও
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দর টানা ১০ দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ আছে। তবে এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও বন্দরে আগে থেকে থাকা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর লোড-আনলোড, পরিবহনসহ অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।
স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা এসআই জামিরুল ইসলাম জানান, ছুটির সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
ঈদে বাংলাবান্ধায় আমদানি-রফতানি ১১ দিন বন্ধ
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ১১ দিন বন্ধ থাকবে। বন্দরের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘১৭ থেকে ২৭ মার্চ বাংলাবান্ধা স্থল শুল্ক স্টেশনের আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। ২৮ মার্চ থেকে যথারীতি কাজ চালু হবে।’
ঈদে বাংলাবান্ধায় আমদানি-রফতানি ১১ দিন বন্ধ
স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনের ওসি কেফায়েতুল ওয়ারেস বলেন, ‘আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও এই সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক আছে।’
বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ১১ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ১১ দিন আমদানি-রফতানিসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকছে।
বুড়িমারী কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এ ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটিসহ ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এ ছুটি চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। ২৮ মার্চ থেকে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। তবে দীর্ঘ ছুটির সময়েও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে।
বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, ‘১১ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আগামী ২৮ মার্চ থেকে সব কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।’
বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘মূলত ব্যবসায়ীরা কাজ না করলে বন্দরের কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে বন্ধ থাকে।’
স্থল শুল্ক স্টেশনের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ মহি উদ্দিন জানান, ১৭ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ। তবে যাত্রী পারাপার চালু থাকার পাশাপাশি কাস্টমসের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু আছে।
আপনার মতামত লিখুন :