বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রাণহানি, গুলির ঘটনা নিয়ে সমালোচনা দীর্ঘদিনের। এরপরও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি সীমান্ত হত্যা। প্রাণহানির ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। তবে সম্প্রতি পুশইন (ঠেলে পাঠানো) সীমান্তে উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনও বেআইনিভাবে পুশইনের চেষ্টার সমালোচনা করছে।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই গত সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে চার দিনের সীমান্ত সম্মেলন। দুই বাহিনীর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের এই আলোচনায় পুশইন-পুশব্যাক ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন চলাকালেও পুশইনের চেষ্টা থেমে নেই। গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিজিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে বলেন, চলমান সীমান্ত সম্মেলনে পুশইন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় বাংলাদেশের তরফে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এবারের আলোচ্যসূচির প্রধান বিষয় পুশইন ইস্যু।
গত ৭২ ঘণ্টায় কুড়িগ্রামের রৌমারী, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ সীমান্তে অন্তত ১০টি এলাকা দিয়ে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি। এসব পয়েন্ট দিয়ে তারা শতাধিক ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বিজিবি।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর আবার পুশইনের চেষ্টা শুরু করে বিএসএফ। এই দফায় ৩০ মে যশোর সীমান্ত হয়ে প্রথম ১৩ জনকে এপারে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। এর পর থেকে গত ১০ দিনে সীমান্তের ৩৬টি পয়েন্টে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিজিবি বলছে, শক্ত নজরদারি ও প্রতিরোধের কারণে একজনকেও ঠেলে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ঠেলে পাঠানো মোকাবিলায় অনেক স্থানে স্থানীয় বাসিন্দারা সতর্ক অবস্থানে ছিল। ২০২৬ সালে কাউকে বাংলাদেশে পুশইন করতে পারেনি।
বিজিবির একাধিক সূত্র বলছে, পুশইনের ঘটনায় বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন থেকে একাধিক প্রতিবাদলিপি বিএসএফকে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া চলমান সীমান্ত সম্মেলনে পুশইন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের প্রস্তাবনার বিষয়টি বিজিবির পক্ষ থেকে আলোচনায় আছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচারণার অন্যতম বিষয় ছিল কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করা। বিজেপি সেখানে জয়লাভের পর পুশইনের বিষয়টি নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে– এটি তারা দেখাতে চায়।
এমদাদুল ইসলাম আরও বলেন, লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে যখন আমরা আশ্রয় দিয়েছিলাম, তখন তাদের পুশব্যাকের চেষ্টা করা হয়নি। কারণ, আমরা সব সময় রোহিঙ্গা সংকটকে কূটনৈতিকভাবে সমাধান বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আসছি। এ ছাড়া ভূ-রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করার মতো অবস্থায় আমরা ছিলাম না।
পুশইন বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের মানবাধিকারকর্মী কিরীটি রায় সমকালকে বলেন, যে প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চলছে, এটি বেআইনি। ভারতের আইন ও সংবিধান এটি সমর্থন করে না। বিএসএফ ও পুলিশ বিচারকের ভূমিকায় থাকতে পারে না। কারও নাগরিকত্ব নিয়ে অভিযোগ থাকলে আদালতে পাঠানো হবে। আদালত ঠিক করবেন– কে দোষী, কে নির্দোষ।
কেউ কেউ মনে করছেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ। তবে এতে ভারত সই করেনি। বাংলাদেশ সেই কনভেনশনের নীতিমালা অনুসরণ করে। তাই রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বিবেচনায় নিতে হয়েছে।
বিজিবি সূত্র বলছে, সীমান্ত সম্মেলনে যে ১৭টি এজেন্ডা বাংলাদেশের তরফে আলোচ্যসূচিতে আছে, এর মধ্যে পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয় উল্লেখযোগ্য। সম্মেলনে এ নিয়ে বাংলাদেশ তাদের যুক্তির বিষয় তুলে ধরেছে। সেখানে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা ও ন্যায্যতার বিষয়ও এসেছে।
এর আগে গত রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, ভারতের এই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, বিশেষ করে অবৈধ পুশইন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হবে।
২০২৫ সালে ২,৩৫৬ পুশইন
ভারত থেকে ২০২৫ সালে ‘অবৈধ অভিবাসী’ বা ‘অনুপ্রবেশকারী’ আখ্যা দিয়ে বাংলাভাষী ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষকে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া শুরু হয়। ওই বছর নভেম্বর পর্যন্ত সেটি চলতে থাকে। বিজিবির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওই বছর দুই হাজার ৩৫৬ জনকে পুশইন করা হয়। তাদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিক ১৩৪, রোহিঙ্গা ২২৬ ও বাংলাদেশি নাগরিক এক হাজার ৯৯৬ জন। তাদের মধ্যে দুই হাজার ১৫৬ জনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিল বিজিবি। ভারতীয় নাগরিকদের তাদের দেশে পুশব্যাক করা হয়।
এ ছাড়া ভারতের ইউএনএইচসিআর কার্ডধারীদেরও সে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিজিবি জানায়, চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ৬২ জন, মেহেরপুর ১১৬, সাতক্ষীরা ৩২, কুষ্টিয়া ৯, ঝিনাইদহ ২৬, ফেনী ৬৯, মৌলভীবাজার ৫৮০, ময়মনসিংহ ৩৩, নেত্রকোনা ৭৬, পঞ্চগড় ১৯৬, লালমনিরহাট ১৫০, কুড়িগ্রাম ৯১, খাগড়াছড়ি ১৫৩, ঠাকুরগাঁও ১০, দিনাজপুর ৫২, জয়পুরহাট ৪, কুমিল্লা ১৩, সিলেট ২৮৯, হবিগঞ্জ ৪১, সুনামগঞ্জ ৭৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৯২, নওগাঁ ৪৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৭ ও শেরপুর দিয়ে ৩১ জনকে পুশইন করা হয়।
১০ দিনে ৩৬ সীমান্তে উত্তেজনা
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর দ্বিতীয় দফায় আবার পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। ৩০ মে প্রথম যশোর সীমান্ত দিয়ে ১৩ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করে বিজিবি। এরপর গত ১০ দিনে ৩৬ সীমান্তে পুশইন নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। অনেক সীমান্তে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ-শিশুর শূন্যরেখায় ফেলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, নীলফামারী, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, কুড়িগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মহেশপুরসহ বেশ কিছু সীমান্তে পুশইনের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।
৭২ ঘণ্টায় শতাধিক ব্যক্তি ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা
কুড়িগ্রামের রৌমারী, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের অন্তত ১০টি পুশইনের অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে জামালপুর বিজিবি। রোববার থেকে গতকাল পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় শতাধিক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা হয়। এমন সময় এসব পয়েন্ট দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চলে যখন নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন চলছে।
বিজিবি জানায়, রোববার রাত ৮টার দিকে কুড়িগ্রামের রৌমারীর খেয়ারচর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে সদরটিলা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ভারত থেকে কাঁটাতারের পকেটগেট ব্যবহার করে এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা চালায়। এমন তথ্য পাওয়ার পর বিজিবি টহল দল এবং স্থানীয় জনগণ সেই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করলে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরদিন সকাল পৌনে ১০টার দিকে খেয়ারচর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে সদরটিলা বিএসএফ ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১০-১২ ব্যক্তিকে জড়ো করে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। বিজিবি টহল দল ও স্থানীয় জনগণের সতর্ক অবস্থান এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
এদিকে সোমবার রাতে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের পাথরেরচর ও বাঘারচর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৮ ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ ১৬০ বিএসএফ। এ উদ্দেশ্যে ভারতের অভ্যন্তরে লুকাইয়েরচর এলাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জড়ো করা হয়। বিজিবির বিশেষ সতর্কতা, নজরদারি ও টহল জোরদারের কারণে সেটি প্রতিহত করা সম্ভব হয়। সোমবার মধ্যরাতে কুড়িগ্রামের রৌমারীর দাঁতভাঙ্গা, মোল্লারচর, ইজলামারী ও খেয়ারচর বিওপি এবং জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাথরেরচর, বাঘারচর ও ঝাউডাঙ্গা বিওপি এবং বকশীগঞ্জের সাতানীপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ সমন্বিতভাবে একাধিক পুশইনের চেষ্টা করে।
এসব ঘটনায় বিএসএফ সদস্যরা ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে ট্রাকযোগে ও দলবদ্ধভাবে লোকজনকে সীমান্তে নিয়ে আসে। কয়েকটি স্থানে পুশইনের সুবিধার্থে সীমান্ত এলাকার আলোকসজ্জা (লাইট) বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিজিবির টহল দল ও স্থানীয় জনগণ তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। ফলে বিএসএফের সব পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
জামালপুর বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, কয়েক দিন ধরে দেওয়ানগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ পুশইনের চেষ্টা করছে। স্থানীয় জনগণের সহায়তা নিয়ে বিজিবি তা ব্যর্থ করে দেয়। বাঘারচর গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
পুশইন ইস্যু আলোচনা করতে চায় না ভারত
তথাকথিত ‘সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিকদের’ বাংলাদেশে জোর করে ঠেলে পাঠানোর বিষয়টি মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে ভারতের তরফে আলোচনায় রাখা হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, চার দিনের এ বৈঠকের এজেন্ডায় ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কথিত পুশইন নীতির বিষয়টি উল্লেখ করেনি। এক বিবৃতিতে বিএসএফ জানিয়েছে, ‘সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা এবং দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয় প্রতিষ্ঠার’ লক্ষ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বিএসএফের বিবৃতি অনুযায়ী, আলোচনায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হাতে বিএসএফ সদস্য ও ভারতীয় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা প্রতিরোধ, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, বাংলাদেশি অপরাধীদের ভারতে প্রবেশ এবং বাংলাদেশি নাগরিকের মাধ্যমে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া লঙ্ঘনের বিষয়গুলো উঠে আসবে। বিবৃতিতে কোথাও পুশইন বিষয়ে উল্লেখ করা হয়নি।
‘পুশইনের একটা সমাধান দ্রুত হবে’
সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দিয়ে লোকজনকে বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টা ঘিরে যে সংকট তৈরি হয়েছে, দ্রুত এর একটা সমাধান হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
সরকারের কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরতে গতকাল সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সীমান্তে পুশইন নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা নিশ্চয় পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ফলো করেছি। সেখানে নির্বাচনে একটা ইস্যু ছিল। এটা তাদের একটা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যাপার, যেটার খানিকটা চাপ আমাদের ওপরে আসছে। আমি এভাবে মনে করি না যে, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো একটা টেনশন তৈরির জন্য ভারতীয় সরকার এটা করছে। পশ্চিমবঙ্গে যে নতুন সরকার দায়িত্বে এসেছে নির্বাচিত হয়ে, তাদের নির্বাচনের এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ছিল। তাদের একটা রাজনীতি আছে। সেটারই এক ধরনের বহিঃপ্রকাশ এটা।’