প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং বাজারের চাহিদাভিত্তিক করতে হবে। সে লক্ষ্যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদার, শিল্পখাত-একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি এবং কারিকুলাম-সিলেবাস আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন সূচক ও কেপিআই প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় এবং বাজারমুখী কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যা দ্রুত দূর করতে হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজ নিজ বিভাগ, প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানে কী ধরনের উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিজেরাই নির্ধারণ করবেন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে সৃজনশীলতা ও উদ্যোগের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। কারণ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, এখান থেকেই মানবসম্পদ তৈরি হয়। প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা একটি বড় দায়িত্ব। এই বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষতায় রূপান্তর করা গেলে তা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশর এই বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা গেলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শক্তিশালী মানবসম্পদসমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। কারিগরি, ভোকেশনাল ও পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণব্যবস্থার যথাযথ পর্যালোচনা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন :