ঢাকা রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২
amaderkhobor24.com
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

হাছান মাহমুদ-নওফেল-ফজলে করিমসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম

হাছান মাহমুদ-নওফেল-ফজলে করিমসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

রবিবার (৫ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১১টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর রেজিস্ট্রারের কাছে এই অভিযোগ জমা দেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। এসময় প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন ও তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় অভিযুক্ত ২২ জনের মধ্যে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ পলাতক ১৮ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা সবাই আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী।

মামলায় নাম থাকা শীর্ষস্থানীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দুই সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন ও রেজাউল করিম, সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, মোহাম্মদ ফিরোজ, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, আজিজুর রহমান, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ, সুমন দে ও তৌহিদুল ইসলাম।

এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ১২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছিলেন। তবে তদন্ত সংস্থা কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের আগেই চিফ প্রসিকিউটরের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হলো।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জন নিহতের ঘটনায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উস্কানি ও নির্দেশ ছিল, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

Link copied!