ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা বইয়ে নতুন অধ্যায় ‘তৃতীয় ভাষা’, যুক্ত হচ্ছে আরও ২ বই

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা বইয়ে নতুন অধ্যায় ‘তৃতীয় ভাষা’, যুক্ত হচ্ছে আরও ২ বই

বাংলা মাতৃভাষা এবং ইংরেজি দ্বিতীয় ভাষার গণ্ডি পেরিয়ে এবার তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়। এ লক্ষ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা বইয়ে যুক্ত হচ্ছে ‘তৃতীয় ভাষা’ নামে নতুন একটি অধ্যায়। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের বহুমুখী দক্ষতা ও বাস্তবমুখী শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ‘কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’ নামে আরও দুটি বই। তবে নতুন এই দুই বিষয়ের মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর মূল রেজাল্টে যুক্ত হবে না। শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় দুটিতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক থাকবে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তৃতীয় ভাষাকে কেবল একটি অতিরিক্ত শিক্ষাবিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এর সঙ্গে কর্মসংস্থান, বৈদেশিক শ্রমবাজার, উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিষয়গুলোও যুক্ত করা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নির্ধারিত ‘তৃতীয় ভাষা’ পাঠে বলা হয়েছে, মাতৃভাষা বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি এক বা একাধিক বিদেশি ভাষা শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে এনসিটিবির কারিকুলাম বিভাগের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা গেছে, পাঠটিতে বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, এখন একজন মানুষের জীবন শুধু নিজের দেশ বা সমাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পড়াশোনা, চাকরি, ব্যবসা কিংবা যোগাযোগের প্রয়োজনে তাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে যেতে হচ্ছে। সেখানে ইংরেজি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সব ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট নাও হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যে দেশে যাওয়া হচ্ছে, সেই দেশের স্থানীয় ভাষা জানা বাড়তি সক্ষমতা হিসেবে কাজ করতে পারে। আর সেখান থেকেই এসেছে ‘তৃতীয় ভাষা’র ধারণা। এতে মাতৃভাষা বাংলাকে প্রথম ভাষা এবং ইংরেজিকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ধরে এর বাইরে শেখা বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে শুধু ভাষা শেখাকে শুধু দক্ষতা হিসেবেই দেখানো হয়নি। বিশ্বায়নের বাস্তবতায় একটি নতুন ভাষা শেখার সঙ্গে উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, আত্মবিকাশ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাকেও যুক্ত করা হয়েছে।

আবার তৃতীয় ভাষা অধ্যায়ে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গেও বিষয়টিকে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত হওয়ায় দেশের অনেক মানুষ কাজের জন্য বিদেশে যান। বিশেষ করে বৈদেশিক শ্রমবাজারে ভাষাজ্ঞান একজন কর্মীর কাজের ধরন ও সুযোগের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও তৃতীয় ভাষা শেখার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে। পাঠটির মূল ভাবনায় তৃতীয় ভাষাশিক্ষাকে তাই ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ে এই অধ্যায় পাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজারের বাস্তবতাও উঠে এসেছে পাঠে, শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে অনুশীলনী

পাঠটির ভাবনাকে শুধু আলোচনা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। শিক্ষার্থীদের নিজেদের মতো করে বিষয়টি ভাবার সুযোগও রাখা হয়েছে। অনুশীলনীতে বিদেশি বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তৃতীয় ভাষা কীভাবে কাজে আসতে পারে, তা নিয়ে রচনা লিখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে কোন কোন বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে শেখানো যেতে পারে এবং কেন; সেটিও ভেবে তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে।

এই ব্যবহারিক দিকটি আরও স্পষ্ট হয়েছে অধ্যায়ের প্রশ্নগুলোতে। বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি কিংবা বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত ভাষা কীভাবে কাজে আসতে পারে, সেসব বাস্তব পরিস্থিতি প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে আনা হয়েছে। এমনকি তৃতীয় ভাষাশিক্ষার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকার বিষয়টিও শিক্ষার্থীদের সামনে আনা হয়েছে।

সবচেয়ে বাস্তব উদাহরণটি এসেছে আরব দেশগুলোর শ্রমবাজারের প্রসঙ্গে। সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন আরব দেশে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কাজ করেন এবং সেখান থেকে দেশে রেমিট্যান্স পাঠান। কিন্তু পাঠ্যবইয়ের সৃজনশীল প্রশ্নে দেখানো হয়েছে, ভাষাগত দক্ষতার ঘাটতি অনেক সময় কর্মীদের ভালো চাকরির সুযোগ থেকে পিছিয়ে দিতে পারে। ফলে কেউ কেউ অপেক্ষাকৃত কম বেতনের শারীরিক শ্রমনির্ভর কাজে আটকে থাকেন। এই উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে একটি সহজ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে যে, বিদেশে শুধু কাজের দক্ষতা থাকাই সবসময় যথেষ্ট নয়, যেকোন দেশে কাজ করতে যাওয়া হচ্ছে, প্রয়োজনে সেই দেশের ভাষা জানাটাও সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

‘তৃতীয় ভাষা’ পাঠের লেখক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান

‘তৃতীয় ভাষা’ পাঠটি লিখেছেন ভাষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। ১৯৭৮ সালে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গবেষণা ও প্রবন্ধ রচনার পাশাপাশি ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়েও কাজ করেছেন আসাদুজ্জামান। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পাত্র ভাষা ও সংস্কৃতি’, ‘ভাষাদর্শনের ইতিবৃত্ত’, ‘অনুবাদের ইতিবৃত্ত’, ‘আধুনিক শৈলীবিজ্ঞান ও সাহিত্যবিচার’ এবং ‘জ্যোতির্ময় বাংলা সংস্কৃতি’। গবেষণা ও সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিভিন্ন পুরস্কারও পেয়েছেন।

তৃতীয় ভাষা শেখার মধ্য দিয়ে বাড়বে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সক্ষমতা : লেখক আসাদুজ্জামান

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা বইয়ে ‘তৃতীয় ভাষা’ পাঠ যুক্ত করার বিষয়ে আসাদুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, পাঠটিতে মূলত তৃতীয় ভাষা শেখার গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ভাষাদক্ষতার ঘাটতি কীভাবে বাংলাদেশি কর্মীদের পিছিয়ে দিতে পারে, সেটি পাঠে তুলে ধরা হয়েছে। বিদেশে যাওয়া অনেক বাংলাদেশি কর্মী ভাষা না জানার কারণে ভালো কর্মক্ষেত্রে যেতে পারেন না। অন্য দেশের কর্মীরা স্থানীয় ভাষায় দক্ষ হওয়ায় অনেক সময় তুলনামূলক ভালো পদে কাজের সুযোগ পান। বিপরীতে ভাষাগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশি কর্মীদের একটি অংশ শ্রমনির্ভর ও কম বেতনের কাজে থেকে যান।

তিনি বলেন, ভাষাগত সীমাবদ্ধতার প্রভাব শুধু কর্মক্ষেত্রেই নয়, বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। গবেষণা, মাস্টার্স বা অন্য কোনো উচ্চশিক্ষার জন্য যারা বিদেশে যান, তাদের শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রেও যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। ভাষাদক্ষতার ঘাটতি থাকলে এসব ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই তৃতীয় ভাষাকে শুধু কর্মসংস্থানের সঙ্গে নয়, উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সঙ্গেও যুক্ত করে দেখানো হয়েছে।

তবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তৃতীয় ভাষাশিক্ষার ধারণা বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ থাকার কথাও বলেন আসাদুজ্জামান। তার মতে, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এর অন্যতম বাধা। গ্রামের একজন মানুষ কাজের জন্য মালয়েশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে যাওয়ার আগে ঢাকায় এসে ভাষা শেখার সুযোগ সব সময় পান না। অনলাইনে শেখার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় দক্ষতা বা সুযোগ অনেকের থাকে না। এর পাশাপাশি সময়ের সংকট এবং পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ভাষাশিক্ষার জন্য আলাদা সময় বের করতে না পারাও বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রাপ্তবয়স্কদের নতুন ভাষা শেখার ক্ষেত্রেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে এই ভাষাবিদ আরও বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে নতুন ভাষা গ্রহণের সক্ষমতায় পরিবর্তন আসে। ফলে ছোটবেলা থেকেই তৃতীয় ভাষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে সবার জন্য একই ভাষা শেখার প্রয়োজন নেই বরং যার যে প্রয়োজন, সে অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।

কারিকুলামে বাস্তবমুখী দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : এনসিটিবির সদস্য (কারিকুলাম)

বর্তমান চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিকুলামে বাস্তবমুখী দক্ষতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (কারিকুলাম) অধ্যাপক ড. এ. কে. এম শওকত আলী খান। ঢাকা পোস্টকে তিনি বলেন, নতুন পাঠ্যক্রমে শুধু প্রচলিত বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয় ভাষা, কারিগরি শিক্ষা ও আনন্দময় শিক্ষার মতো বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের বাইরের জীবন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজগতের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন বিষয় যুক্ত করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বয়স, শেখার সক্ষমতা ও বাস্তব প্রয়োজনকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে তৃতীয় ভাষার ক্ষেত্রে একাধিক ভাষা শেখার ধারণার সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাকে যুক্ত করা হয়েছে। পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা গড়ে তোলাই নতুন কারিকুলামের অন্যতম লক্ষ্য।

নির্ধারিত সময়ের আগেই বই পাঠানো সম্ভব হবে : এনসিটিবি চেয়ারম্যান

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩১ কোটি বই বিতরণের লক্ষ্যে ছাপার কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা। তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাবর্ষের বই প্রস্তুত ও শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক থাকলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বই পাঠানো সম্ভব হবে। এবারের বইয়ে নতুন কিছু বিষয় ও কনটেন্ট যুক্ত হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উপযোগী ও মানসম্মত কনটেন্ট নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন বিষয় যুক্ত করার পাশাপাশি বইয়ের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনের মান যেন শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

Link copied!