ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে থেকেই দেশটির খনিজ তেল নিয়ে আলোচনা চলছে। হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। ইরানের তেলের মজুত কত, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের তথ্যমতে, ইরান হলো বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ তেলসমৃদ্ধ দেশ। দেশটির ১৭ হাজার কোটি ব্যারেল তেলের মজুত আছে। সে হিসাবে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের ৯ শতাংশই রয়েছে ইরানের মজুতে।
ইরানের চেয়ে তেলের মজুত বেশি শুধুমাত্র ভেনেজুয়েলা, সৌদি আরব ও কানাডার। ওপেক দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ হওয়ার পাশাপাশি ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক দেশও।

এছাড়া ইরানের রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও। এই গ্যাসের মজুতে ইরান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। দেশটির মজুতে আছে বিশ্বের মোট মজুত গ্যাসের ছয় ভাগের এক ভাগ।
তবে দশকের পর দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক কম। ১৯৪৭ সালে যেখানে দেশটির দৈনিক অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ছিল ৬০ লাখ ব্যারেল, সেখানে এখন তা কমে ৩৫ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও ইসরায়েলি বোমা উপেক্ষা করে সম্প্রতি ইরানের তেল উৎপাদন অনেক খানিই বেড়েছিল।
চীন ইরানের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক দেশ। ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই যায় চীনে, যদিও ইরানি তেলের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :