প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
মাঠে ও মাঠের বাইরে দুই জায়গাতেই বড় জয় পেলেন নারী বাস্কেটবলাররা। দীর্ঘ ১৭ মাসের আলোচনা ও দর-কষাকষির পর উইমেন্স ন্যাশনাল বাস্কেটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউএনবিএ) এবং ইউনিয়নের বোর্ড অব গভর্নরসের মধ্যে একটি যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে আগের চুক্তি থেকে সরে আসার পর অবশেষে এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছাল দুপক্ষ। ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই আনন্দের খবর জানান ডব্লিউএনবিএ প্রেসিডেন্ট নেকা ওগউমিকে।
ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ মৌসুম শুরুর দুই মাস আগে হওয়া এই চুক্তিটির মেয়াদ সাত বছর। তবে ষষ্ঠ বছর শেষে চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার একটি সুযোগ রাখা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় চমকটি এসেছে বেতনের কাঠামোয়। নতুন চুক্তিতে খেলোয়াড়দের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ডলার। আগের চুক্তিতে এই ন্যূনতম বেতন ছিল ৬৬ হাজার ৭৯ ডলার। অর্থাৎ একলাফেই বেতন বেড়েছে প্রায় চার গুণ! পাশাপাশি দলগুলোর স্যালারি ক্যাপ বা বেতনসীমাও আকাশচুম্বী হয়েছে। ২০২৫ সালে লিগের স্যালারি ক্যাপ যেখানে ছিল মাত্র ১৫ লাখ ডলার, ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৭০ লাখ ডলারে। চুক্তির মেয়াদ শেষে ২০৩৩ সাল নাগাদ এই অঙ্ক ১ কোটি ডলারে গিয়ে ঠেকবে।
বর্ধিত বেতনের পাশাপাশি এই ৭ বছর মেয়াদি চুক্তিতে খেলোয়াড়দের জন্য নতুন একটি রাজস্ব ভাগাভাগি মডেলও যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে লিগের মোট আয়ের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন খেলোয়াড়রা।
ডব্লিউএনবিএ প্রেসিডেন্ট ওগউমিকে বলেন, ‘এই চুক্তি আমাদের খেলোয়াড়দের নিজেদের মূল্য ও ভবিষ্যতের প্রতি প্রতিশ্রুতির ফসল। লিগে পেশাদারত্বের সংজ্ঞা নতুন করে লিখবে এই চুক্তি।’
আপনার মতামত লিখুন :