ঢাকা শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
amaderkhobor24.com

চুয়েটে দ্বিতীয় দফায় ভর্তি ১০ মার্চ, এখনো ফাঁকা ৬০৫ আসন

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

চুয়েটে দ্বিতীয় দফায় ভর্তি ১০ মার্চ, এখনো ফাঁকা ৬০৫ আসন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ১০ মার্চ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত মেধাক্রমের শিক্ষার্থীদের সনদপত্র যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা ১০ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এ দফায় প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মূল মেধাক্রম ১ হাজার ২৫১ থেকে ২ হাজার ৫০০ পর্যন্ত প্রার্থীদের ডাকা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় মেধাক্রম ১১ থেকে ২০ এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের মেধাক্রম শূন্য ২-এ থাকা প্রার্থীরাও এ তালিকায় রয়েছেন। স্থাপত্য বিভাগে মেধাক্রম ৭৬ থেকে ১২৫ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ভর্তি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের ঠিকানায় লগইন করতে হবে। আগে পূরণ করা অনলাইন চয়েস ফরম ও ড্যাশবোর্ডে উল্লেখিত অন্যান্য ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করে প্রিন্ট কপি সঙ্গে আনতে হবে। কেউ আগে চয়েস ফরম পূরণ না করে থাকলে ভর্তির দিন তা পূরণের সুযোগ থাকবে। সনদ যাচাই শেষে নিরীক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে কাগজপত্র জমা নেওয়া হবে এবং পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।

১১ মার্চ সকালে প্রাপ্ত বিভাগ দেখে নির্ধারিত ভর্তি ফি ১৮ হাজার ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় বেলা ৩টার মধ্যে জমা দিতে হবে। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে একই দিনও ফি পরিশোধ করা যাবে।

কাগজপত্র যা লাগবে

ভর্তির সময় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মূল সনদ ও নম্বরপত্র, উচ্চমাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রশংসাপত্র, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং হল পরিদর্শকের স্বাক্ষরযুক্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র জমা দিতে হবে।

সংরক্ষিত আসনে ভর্তিচ্ছু রাখাইন ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের স্থায়ী বাসিন্দা ও প্রমাণ হিসেবে জেলা প্রশাসক বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় মোড়লের দেওয়া দুটি মূল সনদ দিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের প্রত্যয়নপত্রও জমা দিতে হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় স্বীকৃত রোগ নির্ণয়কেন্দ্র থেকে করা রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার প্রতিবেদন আনতে হবে। চশমা ব্যবহারকারীদের চশমা সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি শেষে প্রাপ্ত বিভাগ ও অবশিষ্ট শূন্য আসনের তালিকা ১২ মার্চের মধ্যে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি সভা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ভর্তি বাতিলের কারণে আসন শূন্য হলে মেধাক্রম ও পছন্দক্রম অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন হবে।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় প্রথম দফার ভর্তি। সেই ধাপ শেষে ৯২০টি আসনের মধ্যে এখনো ৬০৫টি ফাঁকা রয়েছে, যা মোট আসনের প্রায় ৬৬ শতাংশ।

Link copied!